সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ট্রাফিক আইনের জরিমানার তালিকা

ট্রাফিক আইনের জরিমানার তালিকা:

ট্রাফিক আইনের বিভিন্ন জরিমানা নিয়ে সবারই কম বেশি আগ্রহ রয়েছে। ১৯৮৩ সালের ‘মোটরযান আইন’ অনুযায়ী জেনে রাখুন ট্রাফিক আইনে কোন অপরাধে কত জরিমানা?


ট্রাফিক আইন মেনে চলুন’- এ কথা কয়টি আমাদের দেশে বিভিন্ন জায়গায় বহুল ব্যবহৃত এবং আমাদের কাছে বহুল শ্রুত। মোটরযান চালানোর আইন-কানুন না জানা কিংবা আইন-কানুনকে তোয়াক্কা না করার প্রবণতাই এসব দূর্ঘটনার মূল কারণ। পৃথিবীর অন্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও রয়েছে মোটরগাড়ির জন্য প্রযোজ্য বিশেষ আইন। যা অমান্য করলে আপনার বিরুদ্ধে জরিমানা কিংবা মামলা হতে পারে। অতএব রাস্তায় গাড়ি নিয়ে নামার আগে জানতে হবে এর সাথে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি সমূহ।

 ১) নিষিদ্ধ হর্ণ/হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারঃ জরিমানা ১০০ টাকা (ধারাঃ ১৩৯)

২) আদেশ অমান্য বাধা সৃষ্টি ও তথ্য প্রদানে অস্বীকৃতিঃ জরিমানা ৪০০ টাকা {ধারা ১৪০(১)}

৩) ওয়ানওয়ে সড়কে বিপরীত দিকে গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ২০০ টাকা {ধারাঃ ১৪০(২)}

৪) অতিরিক্ত গতি বা নির্ধারিত গতির চেয়ে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ৩০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ৫০০ টাকা (ধারাঃ ১৪২)

৫) দূর্ঘটনা সংক্রান্ত যে সকল অপরাধ থানায় ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাইঃ জরিমানা ৫০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ১০০০ টাকা (ধারাঃ ১৪৬)

৬) নিরাপত্তা বিহীন অবস্থায় গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ২৫০ থেকে ১০০০ টাকা (ধারাঃ ১৪৯)

৭) কালো বা অতিরিক্ত ধোঁয়া বের হওয়া মোটরযান ব্যবহারঃ জরিমানা ২০০ টাকা (ধারাঃ ১৫০)

৮) মোটরযান আইনের সাথে সঙ্গতিবিহীন অবস্থায় গাড়ি বিক্রয় বা ব্যবহার, গাড়ির পরিবর্তন সাধনঃ জরিমানা ২০০০ টাকা (ধারাঃ ১৫১)

৯) রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট বা ফিটনেস সার্টিফিকেট অথবা রুট পারমিট ব্যতীত মোটরযান ব্যবহারঃ জরিমানা ১৫০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ২৫০০ (ধারাঃ ১৫২)

১০) অনুমোদন বিহীন এজেন্ট বা ক্যানভাসার নিয়োগঃ জরিমানা ৫০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ১০০০ টাকা (ধারাঃ ১৫৩)

১১) অতিরিক্ত মাল বা অনুমোদিত ওজন অতিক্রম পূর্বক গাড়ি চালনাঃ জরিমানা ১০০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ২০০০ টাকা (ধারাঃ ১৫৪)

১২) বীমা ব্যতীত গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ৭৫০ টাকা (ধারাঃ ১৫৫)


১৩) অনুমতি ব্যতীত গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ৭৫০ টাকা (ধারাঃ ১৫৬)

১৪) প্রকাশ্য সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিঃ জরিমানা ৫০০ টাকা (ধারাঃ ১৫৭)

১৫) গাড়ীর ব্রেক কিংবা কোন যন্ত্র অথবা গাড়ির বডি কিংবা স্পিড গর্ভণর সীল বা ট্যাক্সি মিটারের উপর অন্যায় হস্তক্ষেপ করাঃ জরিমানা ৫০০ টাকা (ধারাঃ ১৫৮)

১৬) যে সকল অপরাধের জন্য মোটরযান আইনে সুনির্দিষ্ট কোন শাস্তির ব্যবস্থা নেইঃ জরিমানা ২০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ৪০০ টাকা (ধারাঃ ১৩৭)।


ট্রাফিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করুন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

১ জুলাই ২০২৬-এ আপনার নতুন বেসিক কত হবে? এখনই দেখে নিন!

১ জুলাই ২০২৬ থেকে আপনার নতুন বেসিক কত হবে? নিচের লিংকে ক্লিক করে সঙ্গে সঙ্গে জেনে নিন আপনার নতুন মূল বেতন! নতুন বেসিক জানতে - এখানে ক্লিক করুন এই পোস্টটি বন্ধু, সহকর্মী ও আত্মীয়দের সাথে শেয়ার করুন। যাতে তারাও জানতে পারে ২০২৫ সালের ১ জুলাই-এ তার বেসিক কত হতে পারে। পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য ধন্যবাদ

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে হলে করণীয়

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে হলে করণীয়: পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে হলে কিছু নিয়ম মেনে আবেদন করতে হবে। সেগুলো হলো: ১. আবেদনকারীর পাসপোর্টে উল্লিখিত স্থায়ী কিংবা বর্তমান ঠিকানার  যেকোনও একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন কিংবা জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় থাকতে হবে। ২. আবেদনকারীকে কিংবা যার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চাওয়া হয়েছে, তাকে অবশ্যই ওই ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে। ৩. বিদেশে অবস্থানকারী কোনও ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে হলে তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন, সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি তার পক্ষে করা আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে। ৪. মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে সেক্ষেত্রে ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র বা স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সনদপত্রের ফটোকপি প্রথম শ্রেণির সরকারি গেজেটেড কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে। যেভাবে আবেদন করতে হবে: ১. বিদেশগামী বা বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি না...

এক্সেলে মাধ্যমে জেনে নিন আপনি কত দিন গড় বেতনে অর্জিত ছুটি ও অর্ধ গড় বেতনে অর্জিত ছুটি পাওনা আছেন।

এক্সেলে মাধ্যমে জেনে নিন আপনি কত দিন গড় বেতনে অর্জিত ছুটি ও অর্ধ গড় বেতনে অর্জিত ছুটি পাওনা আছেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে গমন করতে হলে এবং লাম্পগ্রান্ট বিল মঞ্জুরির জন্য গড় বেতনে অর্জিত ছুটি ও অর্ধ গড় বেতনে অর্জিত ছুটির হিসাব করতে হয়। একজনের ছুটির হিসাব করতে সময় লাগে ২-৩ ঘন্টা। কিন্ত সেই ছুটির হিসাব যদি আমরা কম্পিউটারে এমএস এক্সেল এর মাধ্যমে করতে পারি তাহলে ছুটির হিসাব করতে সময় লাগবে মাত্র ১০-২০ মিনিট, আর সেটা হবে ১০০% নির্ভুল। ছুটির হিসাব এক্সেলে করার মেথডটি নিচের লিংকে দেয়া হলো। সেখান থেকে আপনারা জাস্ট কর্মকাল আর ছুটি ভোগের কাল বসিয়ে দিবেন এক্সেলই সেটা গুনে বলে দেবে আপনি কতদিন গড় বেতনে অর্জিত ছুটি ও অর্ধ গড় বেতনে অর্জিত ছুটি পাওনা আছেন। ছুটির হিসাব করার এক্সেল ফরমেট ডাউনলোড করে নিন। বুঝতে অসুবিধা হলে কমেন্ট করুন।